আত্বজীবনী

 

সংক্ষিপ্ত জীবনালেখ্য

 

জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়
অধ্যাপক ডাঃ এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন ১৯৬০ সালের ২৫ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের মতিহারা গ্রামে।
তাঁর পিতা মরহুম মোঃ জাফর আলী সরকার ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজহিতৈষী ব্যক্তি। তিনি বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মাতা বেগম জেবুন নেসা ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষিকা। শিক্ষাবান্ধব এই পরিবারেই তাঁর মানবিক ও প্রগতিশীল মানসিকতার ভিত্তি গড়ে ওঠে।

 

ব্যক্তিগত জীবন


অধ্যাপক ডাঃ এ.জেড.এম জাহিদ হোসেন ( আবু জাফর মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন) ১৯৬০ সালের ২৫ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের গফরগাঁও এ জন্ম গ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের মতিহারা গ্রামে। পিতা মরহুম মোঃ জাফর আলী সরকার ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী। তিনি বিভিন্ন স্কুল এবং কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিষ্ঠাকালীন প্রদান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার মাতা বেগম জেবুন নেসাও একজন শিক্ষিকা ছিলেন।

 

শিক্ষাজীবন


অধ্যাপক ডাঃ জাহিদ হোসেন গফরগাঁও ও ময়মনসিংহে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন।

 

১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।


পরবর্তীতে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে তিনি— ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (BCPS) থেকে এফসিপিএস ২০০১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইউরোলজিতে এমএস ২০০৪ সালে কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস, পাকিস্তান থেকে এফসিপিএস ২০০৬ সালে রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস, এডিনবরো, যুক্তরাজ্য থেকে এফআরসিএস ফেলোশিপ অর্জন করেন তিনি দেশ-বিদেশে স্বীকৃত একজন খ্যাতনামা ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ।

 

পেশাগত জীবন

 

১৯৮৩ সালে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

 

তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন—

 

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের নির্বাচিত ডিন (২ বার)
  • বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস-এর অবৈতনিক সচিব (২ বার)
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য
  • বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) সদস্য
  • বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (BMRC)-এর ভাইস চেয়ারম্যান

তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল জার্নাল, ইউরোলজি জার্নাল অব বাংলাদেশ এবং জার্নাল অব বিসিপিএস-এর সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

 

এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (BMA)-এর দু’বার নির্বাচিত মহাসচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

 

  • আন্তর্জাতিক পরিসরে তিনি—
  • এশিয়ান ইউরোলজি সোসাইটি
  • ইউরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব এশিয়া
  • ওয়ার্ল্ড মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন
  • কমনওয়েলথ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন

এর কাউন্সিলর এবং আমেরিকান, ইউরোপিয়ান ও ইন্ডিয়ান ইউরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

রাজনৈতিক জীবন


১৯৭৯ সালে ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু। সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর তিনি সরাসরি রাজনীতিতে না জড়িয়ে পেশাজীবী রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

 

১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সঙ্গে যুক্ত এবং ১৯৯৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চারবার নির্বাচিত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

  • ২০০৫ সাল থেকে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব
  • ২০২২ সাল থেকে উক্ত পরিষদের আহ্বায়ক
  • ২০১০ সালে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা নিযুক্ত
  • ২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত
  • আগস্ট ২০২৪ সালে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত

নির্যাতন ও ত্যাগ

 

রাজনৈতিক কারণে গত ১৮ বছরে তাঁর বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা দায়ের করা হয়। তিনি তিন দফায় কারাবরণ করেন—

  • ৯ মে ২০০৯ – ৯ ডিসেম্বর ২০০৯
  • ২০১১ সালে
  • ১১ মার্চ ২০১৩ – ৭ জুন ২০১৩

তবুও তিনি আদর্শ ও ন্যায়ের পথ থেকে কখনো বিচ্যুত হননি।

 

দেশ ভ্রমণ

 

ব্যক্তিগত, পেশাগত ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তিনি যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, পাকিস্তান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডসহ বিশ্বের বহু দেশ সফর করেছেন।

ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ, এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি), এমএস (ইউরোলজি), এফসিপিএস (ইউরোলজি), এফআরসিপি (এডিন), ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ, ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ।

জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)

যোগাযোগ

মতিহারা বাজার, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর